logo

সময়: ১১:২২, সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১১:২২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ খবর

লংগদুতে ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ৪ জনকে আটক, জুয়াড়িদের ছেড়ে দেওয়া নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ

Ekattor Shadhinota
১২ জানুয়ারী, ২০২৬ | সময়ঃ ০১:০৩
photo
লংগদুতে ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ৪ জনকে আটক, জুয়াড়িদের ছেড়ে দেওয়া নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ


মঞ্জুরুল ইসলাম, লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ

রাঙামাটির লংগদুতে ডিজিএফআই (DGFI) পরিচয়ে চাঁদাবাজির সময় হাতেনাতে চার ভুয়া সদস্যকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ১২ জানুয়ারি, রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাইট্টা পাড়া সংলগ্ন সেগুন বাগান এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় ভুয়া সদস্যদের আটক করা হলেও ঘটনাস্থলে থাকা জুয়াড়িদের ছেড়ে দেওয়া নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সন্ধ্যায় বাইট্টা পাড়া সেগুন বাগান এলাকায় একদল লোক জুয়ার আসর বসায়। খবর পেয়ে অভিযুক্ত চার যুবক সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেদের গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই-এর সদস্য হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা জুয়াড়িদের ওপর চড়াও হয় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সেখান থেকে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত চার যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের লংগদু থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। 

আটককৃত অভিযুক্তরা হলেন মো: ইকরাম হোসেন (২৭), পিতা- মরহুম শাহাবুদ্দিন; মো: আরিফুল ইসলাম রাজু (২৪), পিতা- মো: খলিলুর রহমান; ইয়াছিন (৩৪), পিতা- মরহুম আবদুল সালাম এবং শাহজাহান (৩৪), পিতা- মেহের আলী।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ভুয়া সদস্যদের আটকের প্রশংসা করলেও জুয়াড়িদের বিষয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এলাকাবাসীর মন্তব্য, "জুয়ার আসর বসানো একটি সামাজিক অপরাধ। যারা জুয়া খেলছিল, তারাও সমান অপরাধী। তাদের কেন আইনের আওতায় আনা হলো না? শুধু চাঁদাবাজদের আটক করে জুয়াড়িদের ছেড়ে দেওয়া রহস্যজনক।" সাধারণ মানুষের দাবি, সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূল করতে হলে উভয় পক্ষকেই শাস্তির মুখোমুখি করা উচিত।

লংগদু থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনো সংস্থার পরিচয় দিলেই নিশ্চিত না হয়ে কাউকে অর্থ বা মূল্যবান সামগ্রী দেওয়া যাবে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…