logo

সময়: ০৪:৩৪, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬

২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

মনোহরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় দায়সারা অভিযানে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

Abdul Ohab
১২ জানুয়ারী, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:২০
photo
মনোহরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় দায়সারা অভিযানে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী


কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। জানা যায় গত ৬ জানয়ারি মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাসনাবাদ ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে মিজি ব্রিকসে পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহযোগিতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনায় পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রসিকিউসন অনুযায়ী, নিষিদ্ধ এলাকায় মিজি ব্রিকস ইটভাটাটি স্থাপন করা হয়েছে। প্রসিকিউসন দাখিল করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লার ইন্সপেক্টর জোবায়ের হোসেন।  
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৮(৩) লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(২) ধারা অনুযায়ী ২,০০,০০০/= (দুই লক্ষ) টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।  
ইটভাটার কিলন ভেঙে দেয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়েছে।
  মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় সহযোগিতা করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক ও তার টিম,এবং মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজালা পারভিন রুহি ও থানার পুলিশ সদস্যবৃন্দ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান প্রশাসন আমাদের মত সাধারণ জনগণের চোখে কালোচশমা পরিয়ে চলে গেছে। আমরা বিভিন্ন পত্রিকাতে পড়েছি,এবং নোয়াখালীতে অভযানে শুনেছি ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা অভিযানের সময় উপস্থিত থেকে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন করে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চুল্লীতে পানি দিয়ে আগুন নির্বাপন করে। চুল্লী ভেঙে দেয়। এবং কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। অথচ এখানে কিছুই হয়নি। 
তারা আরো বলেন আমরা প্রশাসনের কাছে গণসাক্ষর সহ দরখাস্ত করে কি প্রতিকার পেলাম। প্রশাসন যাওয়ার পর পরেই ভাটার কর্যক্রম চালু করা হয়েছে। যাদের টাকা আছে তাদের সব আছে। হয়তো কৃষি জমি আর বাঁচাতে পারবোনা। মাটি খেকোরা তা নিয়ে যাবে দিন দিন জ্বলা অঞ্চলের কৃষি জমিগুলো খালে পরিণত হবে। সামান্য বৃষ্টিতে ফসলের জমিন ডুবে যাবে সরকার আমাদেরকে ত্রাণ দিবে। এ হবে আমাদের ভাগ্য।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রশাসন যাওয়ার পিছনেই অবৈধ ইটভাটার কার্যকম চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। 
প্রশাসন ভেকু দিয়ে ফিল্ডের  চুল্লী না ভেঙে  আংশিক গাডওয়াল/কিলন ভেঙে মালিক পক্ষকে পুনরায় চালু করার জন্য ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। এলাকা সচেতন মানুষেরা  ক্ষোভ করে বলেন আমাদের ধুলিমাখা জীবন আমাদের বাচ্চাদের ভবিষ্য কালো ধোঁয়া ও ধুলাবালি থেকে রেহাই পাবেনা। কৃষি জমিও আর বাঁচাতে পারবোনা। আমরা না পারবো তাদের সাথে লড়তে আমাদের নেই অর্থের জোর। তারা টাকা দিয়ে সব মেনেজ করতে পারবে। আমরা গরীব, কৃষি কাজ করে খাই। আমাদের লোকবল ও অর্থ বল নেই। 
মালিক পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন  আমরা সকল সেক্টর মেনেজ করে চালাচ্ছি।
কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ মোসাব্বার হোসেন রাজিবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজালা পারভিন রুহি কে অবহিত করেছি মিঝি ব্রিকস ফিল্ড সম্পন্ন অবৈধ। তিনি চাইলে স্হায়ী ভাবে বন্ধ করতে পারেন। আর উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাজালা পারভিন রুহি সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাকে পরিবেশ অধিদপ্তর যতটুকু বলেছে আমি তাই করেছি।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…