logo

সময়: ১০:০২, শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬

২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০:০২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য সম্পর্কে রাজশাহীতে আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে রাজশাহীতে আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজশাহী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসন, রাজশাহীর আয়োজনে এ আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, আরএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মামুন অর রশিদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং দেশের রাজনৈতিক ও জাতীয় জীবনে এ দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ফুলবাড়ীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত: আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা মূল্যমানের ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল উইনসেরেক্মস সিরাপ’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজশাহী মহানগর বিএনপির জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন মনোহরগন্জ উন্নয়ন ফোরামের পক্ষ থেকে A+ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মনোহরগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে নবীনবরণ ও হেমন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত

Ekattor Shadhinota
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ | সময়ঃ ১১:১২
photo
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে নবীনবরণ ও হেমন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২১তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ ও ‘হেমন্ত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, একসময় ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ঋতুভিত্তিক উৎসব ও উদ্‌যাপনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল। সময়ের পরিবর্তনে আমাদের সংস্কৃতি থেকে এসব ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ ও লালন করার লক্ষ্যে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের হেমন্ত উৎসবের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও বলেন, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের মনোজগৎ, জীবনযাত্রা ও মানসিকতার মধ্যেও পরিবর্তন আসে। প্রকৃতির এসব পরিবর্তনকে উপলব্ধি করা এবং তা স্মরণ করিয়ে দেওয়া জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আজকের আয়োজন গতানুগতিক অনুষ্ঠানের বাইরে একটি ভিন্নধর্মী ও উপভোগ্য আয়োজন। এ ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মননশীলতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘আমার শিক্ষার্থীদের যেকোনো আয়োজনে আমি তাদের পাশে আছি। শিক্ষার্থীদের আনন্দ আমার আনন্দ, তাদের দুঃখ-কষ্ট আমাকেও ব্যথিত করে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা আন্তরিকতার সঙ্গে চিহ্নিত করে তা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমিত সামর্থ্য ও নানা প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আরও এগিয়ে যাবে। শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনই বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। চলতি বছরে কিউএস (QS) র‍্যাঙ্কিংয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ৩৮ ধাপ এগিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অগ্রগতিকে আরও সুসংহত করতে শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সাংস্কৃতিক চর্চারও বিকাশ ঘটাতে হবে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মননশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। তাই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহ্‌মুদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…