logo

সময়: ০৮:৫৬, সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ খবর

তাঁতশিল্পের উন্নয়নে প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

Ekattor Shadhinota
১৯ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ১০:১৩
photo
তাঁতশিল্পের উন্নয়নে প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

সিরাজগঞ্জ, শনিবার, ৩ শ্রাবণ (১৮ জুলাই ২০২৬)

তাঁতশিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে প্রান্তিক তাঁতিদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম।

শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাঐতারা গ্রামে তাঁত শিল্পীদের সঙ্গে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তাঁত শিল্পের উন্নয়ন, তাঁতিদের সমস্যা, ঋণ সুবিধা, কাঁচামালের মূল্য, বাজারজাতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁতিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁতিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা এবং তাঁদের বাস্তব সমস্যা জানা প্রয়োজন। কারণ প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণ করা সহজ হবে। মন্ত্রণালয় শুধু অফিসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তাঁতি, পাট শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট মানুষের কাছে গিয়ে তাঁদের কথা শুনে কাজ করতে চায়।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এ অঞ্চলের তাঁতশিল্পের রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করে তাঁতশিল্পকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

মো: শরীফুল আলম বলেন, মতবিনিময় সভায় তাঁতিরা সুতা, রং, কাঁচামালের মূল্য, পণ্যের ন্যায্যমূল্য, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের বিষয়ে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন। প্রকৃত তাঁতি ও তাঁতি সমিতির সদস্যরা যাতে সরকারের সহায়তার প্রকৃত সুফল পান, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জ সদর, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও বেলকুচি এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সহজ শর্তে ৪ শতাংশ সুদে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রকৃত তাঁতিকে ঋণ সুবিধার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ঋণের অর্থ যথাযথ ব্যবহার ও সময়মতো পরিশোধের জন্য তাঁতিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিরাজগঞ্জে নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের মাধ্যমে শুধু প্রশিক্ষণ প্রদান নয়, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে কাজ শেখা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।


তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাঁতি ও সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প আবারও সমৃদ্ধ অবস্থানে ফিরে আসবে।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, তাঁতি সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার তাঁতি ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…