logo

সময়: ০১:২৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি : সাংবাদিক ও ইউএনওর হস্তক্ষেপে সমাধান রুকুনুজ্জামান পার্বতীপুর প্রতিনিধি: চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে সদ্য সন্তানহারা এক প্রসূতি মাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে মুক্তি পান ওই নারী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর মাঝাপাড়া গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ছয় দিন বয়সী নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার তিনি ল্যাম্ব হাসপাতালে ভর্তি হন। নারী ও শিশু ওয়ার্ডে টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে শিশুটি মারা যায়। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতি মাকে ছাড়পত্র দেয়নি। তবে নবজাতকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে মায়ের অনুপস্থিতিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশুটির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়। বিষয়টি মঙ্গলবার বিকেলে জানতে পেরে পার্বতীপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেনকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রায় ১৫ জন সাংবাদিক হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। এ সময় ইউএনও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বিষয়টির ব্যবস্থা নিচ্ছি।” পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক ঘণ্টার মধ্যে প্রসূতি মাকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে ছাড়পত্র দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শোকাহত একজন মাকে এভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা অমানবিক।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংবাদ প্রকাশের আগেই একজন অসহায় প্রসূতি মায়ের মুক্তি নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ পার্বতীপুরে মানবিক দায়িত্ববোধ ও জনসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার রাজশাহীতে নিসচার উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালিত তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বসতবাড়ি দখল ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান

Abdul Based
০৮ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:২৪
photo
তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান

আবদুল বাসেদ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ইরাসমাস+ KA171 স্টাফ মোবিলিটি ফর টিচিং কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তুরস্কের সিভাস ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (SUST)-এর তিন শিক্ষককে অংশগ্রহণ সনদ (Certificate of Attendance) ও স্মারক প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সনদ ও স্মারক তুলে দেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

সনদ ও স্মারক তুলে দেয়ার প্রাক্কালে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ইরাসমাস+ KA171 স্টাফ মোবিলিটি কর্মসূচি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার, আন্তর্জাতিকীকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। নোবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ কর্মসূচির মাধ্যমে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিভাস ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান, গবেষণা-অভিজ্ঞতা এবং সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য ও ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স (আইসিইএ) অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, আইসিইএ’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ।

ইরাসমাস+ KA171 স্টাফ মোবিলিটি ফর টিচিং কর্মসূচির আওতায় ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত নোবিপ্রবিতে অবস্থান করেন সিভাস ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তিন সদস্যের ওই প্রতিনিধি দল। দলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (ভাইস রেক্টর) এবং কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের কৃষি ও কৃষি রোবট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাগান কোকতেন। দলের অন্য সদস্যরা ছিলেন কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ও ইরাসমাস ইনস্টিটিউশনাল কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আসিম এবং কৃষি ও কৃষি রোবট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফিকরেত সাইগিন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সফররত শিক্ষকগণ নোবিপ্রবির কৃষি বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাঠদান, বিশেষ বক্তৃতা, একাডেমিক মতবিনিময় এবং জ্ঞান ও গবেষণা-অভিজ্ঞতা বিনিময়ে অংশ নেন। পাশাপাশি দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ একাডেমিক সহযোগিতার বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…