logo

সময়: ১২:২২, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি : সাংবাদিক ও ইউএনওর হস্তক্ষেপে সমাধান রুকুনুজ্জামান পার্বতীপুর প্রতিনিধি: চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে সদ্য সন্তানহারা এক প্রসূতি মাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে মুক্তি পান ওই নারী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর মাঝাপাড়া গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ছয় দিন বয়সী নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার তিনি ল্যাম্ব হাসপাতালে ভর্তি হন। নারী ও শিশু ওয়ার্ডে টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে শিশুটি মারা যায়। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতি মাকে ছাড়পত্র দেয়নি। তবে নবজাতকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে মায়ের অনুপস্থিতিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশুটির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়। বিষয়টি মঙ্গলবার বিকেলে জানতে পেরে পার্বতীপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেনকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রায় ১৫ জন সাংবাদিক হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। এ সময় ইউএনও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বিষয়টির ব্যবস্থা নিচ্ছি।” পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক ঘণ্টার মধ্যে প্রসূতি মাকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে ছাড়পত্র দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শোকাহত একজন মাকে এভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা অমানবিক।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংবাদ প্রকাশের আগেই একজন অসহায় প্রসূতি মায়ের মুক্তি নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ পার্বতীপুরে মানবিক দায়িত্ববোধ ও জনসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার রাজশাহীতে নিসচার উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালিত তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বসতবাড়ি দখল ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন

Abdul Based
০৮ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:২৩
photo
নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন


আবদুল বাসেদ নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারে ৪ বছর ধরে জোরপূর্বক দোকান দখল, ভাড়া না দেওয়া এবং উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হাজী আবুল খায়ের।
তিনি বসুরহাট পৌরসভার ০৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালী টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ওই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবুল খায়ের উল্লেখ করেন, বিগত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর তিনি ওয়ারিশসূত্রে মালিক দুই ভাইয়ের ওয়ারিশ ও তিন বোনের কাছ থেকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাটে অবস্থিত 'ছেরাজ প্লাজা' এবং 'হাজী মার্কেটের ৪ শতাংশ ৮০ পয়েন্ট সম্পত্তি ক্রয় করেন। উক্ত মার্কেটে দুটিতে মোট ২০টি দোকান ঘর রয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় মার্কেটের দোকানের ভাড়াটিয়া খায়রুল বাশারসহ অন্যান্য ভাড়াটিয়ারা বিগত চার বছর ধরে কোনো প্রকার ভাড়া পরিশোধ না করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।

আবুল খায়ের অভিযোগ করেন, একজন বৈধ মালিক হিসেবে তিনি যখনই তাদের কাছে ন্যায্য ভাড়া দাবি করেছেন, তখনই তারা একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে এবং ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তাকে উল্টো প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে। এই সংকটের সমাধানের জন্য বসুরহাট ব্যবসায়ী সমিতি কার্যালয়ে একাধিকবার শালিস-বৈঠক হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। নিরুপায় হয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও তারা দোকান খালি করেনি। উল্টো তারা তাঁকে মারধরের চেষ্টা করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। যার প্রেক্ষিতে গত ৬ জুলাই ‍তিনি আদালতে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির একটি মামলা করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আবুল খায়ের আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক কষ্টার্জিত উপার্জনে কেনা সম্পত্তি আজ অবৈধ দখলদারদের হাতে। বছরের পর বছর ভাড়া না পেয়ে এবং প্রতিনিয়ত হুমকির শিকার হয়ে আমি আজ প্রায় কয়েক কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। আমার পিঠ আজ দেওয়ালে ঠেকে গেছে, পরিবার নিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে।’ তাই তিনি এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

দোকান দখল করে রাখা ও ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কেটের ভাড়াটিয়া ও আদালতে দায়ের করা মামলার আসামি খায়রুল বাশার বলেন, অভিযোগকারী আবুল খায়ের যে ওয়ারিশদের কাছ থেকে মার্কেটের সম্পত্তি ক্রয় করার দাবি করছেন, তারা সেখানে মালিক নন। তিনি ভুয়া দলিল ও কাগজপত্র তৈরী করে নিজেই অবৈধভাবে মার্কেট দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন এবং একের পর এক মামলা দিয়ে তাঁদের হয়রানি করছেন। তারা মার্কেটের প্রকৃত মালিকের কাছে নিয়মিত ভাটার টাকা পরিশোধ করে আসছেন।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…