logo

সময়: ১২:১৯, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি : সাংবাদিক ও ইউএনওর হস্তক্ষেপে সমাধান রুকুনুজ্জামান পার্বতীপুর প্রতিনিধি: চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে সদ্য সন্তানহারা এক প্রসূতি মাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে মুক্তি পান ওই নারী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর মাঝাপাড়া গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ছয় দিন বয়সী নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার তিনি ল্যাম্ব হাসপাতালে ভর্তি হন। নারী ও শিশু ওয়ার্ডে টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে শিশুটি মারা যায়। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতি মাকে ছাড়পত্র দেয়নি। তবে নবজাতকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে মায়ের অনুপস্থিতিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশুটির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়। বিষয়টি মঙ্গলবার বিকেলে জানতে পেরে পার্বতীপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেনকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রায় ১৫ জন সাংবাদিক হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। এ সময় ইউএনও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বিষয়টির ব্যবস্থা নিচ্ছি।” পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক ঘণ্টার মধ্যে প্রসূতি মাকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে ছাড়পত্র দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শোকাহত একজন মাকে এভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা অমানবিক।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংবাদ প্রকাশের আগেই একজন অসহায় প্রসূতি মায়ের মুক্তি নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ পার্বতীপুরে মানবিক দায়িত্ববোধ ও জনসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার রাজশাহীতে নিসচার উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালিত তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বসতবাড়ি দখল ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার

Masud Rana
০৮ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:৪৫
photo
পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৪) একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে স্থানীয় এক যুবকের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ধারাবাহিকভাবে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিলমাড়িয়া গ্রামের জামিলা আক্তার রিয়া (১৪) পুঠিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ১০ বছর আগে তাঁর বাবা মারা যান এবং প্রায় এক বছর আগে তাঁর মা কর্মসূত্রে জর্ডানে চলে যান। এরপর থেকে তিনি তাঁর নানা মো. মুক্তারের বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, একই এলাকার বাসিন্দা সানাউল্লাহ শাওন (২০) সম্পর্কে ওই কিশোরীর প্রতিবেশী ও মামাতো ভাই। পারিবারিক ও প্রতিবেশী সম্পর্কের কারণে অভিযুক্ত যুবকের তাঁদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

কিশোরীর অভিযোগ, প্রায় চার মাস আগে এক রাতে অভিযুক্ত তাঁকে বাড়ির সামনে থেকে ডেকে নিয়ে বিলমাড়িয়া গ্রামের একটি আমবাগানে যান এবং সেখানে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর বিভিন্ন সময় ও তারিখে একই স্থানে নিয়ে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ জুন ২০২৬ রাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুঠিয়া থানার কাছে আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও প্রয়োজনীয় তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

 

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…