logo

সময়: ০১:৩০, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য আটকে রাখা মায়ের মুক্তি : সাংবাদিক ও ইউএনওর হস্তক্ষেপে সমাধান রুকুনুজ্জামান পার্বতীপুর প্রতিনিধি: চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে সদ্য সন্তানহারা এক প্রসূতি মাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অবশেষে মুক্তি পান ওই নারী। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পার্বতীপুরের ল্যাম্ব হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর মাঝাপাড়া গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ ছয় দিন বয়সী নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার তিনি ল্যাম্ব হাসপাতালে ভর্তি হন। নারী ও শিশু ওয়ার্ডে টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে শিশুটি মারা যায়। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতি মাকে ছাড়পত্র দেয়নি। তবে নবজাতকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে মায়ের অনুপস্থিতিতেই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিশুটির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়। বিষয়টি মঙ্গলবার বিকেলে জানতে পেরে পার্বতীপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেনকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রায় ১৫ জন সাংবাদিক হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন। এ সময় ইউএনও সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “আপনাদের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি বিষয়টির ব্যবস্থা নিচ্ছি।” পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক ঘণ্টার মধ্যে প্রসূতি মাকে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে ছাড়পত্র দেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, “দরিদ্র রোগীদের বিনা খরচে বা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ছাড় দিয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। শোকাহত একজন মাকে এভাবে হাসপাতালে আটকে রাখা অমানবিক।” স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংবাদ প্রকাশের আগেই একজন অসহায় প্রসূতি মায়ের মুক্তি নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের দ্রুত উদ্যোগ এবং উপজেলা প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ পার্বতীপুরে মানবিক দায়িত্ববোধ ও জনসেবার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। পুঠিয়ায় কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় এজাহার রাজশাহীতে নিসচার উদ্যোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালিত তুরস্কের তিন শিক্ষককে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সনদ ও স্মারক প্রদান নোয়াখালীতে দোকান দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন নোয়াখালীতে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বসতবাড়ি দখল ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

সৌদি প্রবাসীর ৭০ হাজার রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ, দেশে ফিরে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি

Abdul Based
০৮ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:১৮
photo
সৌদি প্রবাসীর ৭০ হাজার রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ, দেশে ফিরে প্রবাসীকে প্রাণনাশের হুমকি

আবদুল বাসেদ নোয়াখালী প্রতিনিধি-
সৌদি আরবে ব্যবসার কথা বলে এক প্রবাসীর ৭০ হাজার সৌদি রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা) আত্মসাতের পর দেশে ফিরে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে চৌমুহনী প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসী তাজুল ইসলাম লিটন।

তাজুল ইসলাম লিটন অভিযোগ করে বলেন, সৌদি আরবে অবস্থানকালে মোহাম্মদ ইউসুফের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ব্যবসায় অংশীদার করার আশ্বাসে ইউসুফকে নগদ ৭০ হাজার রিয়াল দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও তাকে ব্যবসায় অংশীদার করা হয়নি এবং কোনো লাভও দেওয়া হয়নি। পরে টাকা ফেরত চাইলে ইউসুফ নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ-বৈঠকেও কোনো সমাধান না হওয়ায় সৌদি আরবের আদালতে মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত তার পক্ষে ৫০ হাজার রিয়াল ফেরত দেওয়ার রায় দেন। কিন্তু অভিযুক্ত উচ্চ আদালতে আপিলের কথা বলে সময় নিলেও শেষ পর্যন্ত কোনো আপিল না করে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী টাকা পরিশোধ না করেই বাংলাদেশে চলে আসেন।

তিনি আরও বলেন, দেশে ফিরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা উল্টো তাকে এবং তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন। পাশাপাশি প্রাণনাশেরও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে তার কষ্টার্জিত অর্থ উদ্ধার এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। একই সঙ্গে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু জাফর মোহাম্মদ ফারুকের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…