logo

সময়: ০৪:৪৩, সোমবার, ০৩ আগস্ট, ২০২৬

১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

বাংলাদেশে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন

Ekattor Shadhinota
০২ আগস্ট, ২০২৬ | সময়ঃ ০৭:৪৯
photo
বাংলাদেশে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন

ঢাকা, ১৮ শ্রাবণ (২ আগস্ট):নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন বিষয়ক বৈশ্বিক চুক্তি (গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন বা জিসিএম)-এর লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান-ন্যাপ) ২০২৬-২০৩০ আজ ঢাকায় উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সহযোগী হিসেবে রয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা-আইওএম)।
    
বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের (বিএমসিটি) সহ-সভাপতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ও  আইওএমের সমন্বয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আইওএম বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্পের আওতায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি প্রণয়নে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অভিবাসন পর্যালোচনা ফোরাম (আইএমআরএফ) ২০২৬-এর ফলাফলও উপস্থাপন করা হয়, যেখানে বৈশ্বিক অভিবাসন কার্যক্রমে বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও অবদান তুলে ধরা হয়। জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি এ বছরের ২১ মে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়।
    
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এতে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, আইওএম-এর উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্দ।  
    
এছাড়া বাংলাদেশ মাইগ্রেশন কমপ্যাক্ট টাস্কফোর্সের সহ-সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোক্তার আহমেদ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা এবং আইএমআরএফ ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। 
    
বক্তারা জাতীয় কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক অংশীদার, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত এবং অভিবাসীদের মধ্যে টেকসই সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নে অভিবাসনের ইতিবাচক অবদান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে এবং বাংলাদেশি অভিবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
    
অনুষ্ঠানে জিসিএম বাস্তবায়নে বাংলাদেশের নবায়নকৃত অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়। এছাড়া জাতীয় কর্মপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়া এবং বাংলাদেশের জিসিএম বাস্তবায়নের যাত্রা, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ও বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…