logo

সময়: ১০:৩১, সোমবার, ০৬ এপ্রিল, ২০২৬

২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১০:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

সুনামগঞ্জের মান্নারগাঁওয়ে দখলীয় ভূমি জবর দখলের পাঁয়তারা

Ekattor Shadhinota
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ | সময়ঃ ০৫:৪২
photo
সুনামগঞ্জের মান্নারগাঁওয়ে দখলীয় ভূমি জবর দখলের পাঁয়তারা


মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের মান্নারগাঁও গ্রামে কমর উদ্দিনের নিজ দখলীয় ভূমি জবর দখলের পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে একটি মহল এমন অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের হীরা লাল দাসের ছেলে ধীরেন্দ্র লাল দাসের বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে ভূমির মালিকসহ স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা এ অভিযোগ করেন।

জানা যায়, মান্নারগাঁও গ্রামের পশ্চিমপাড়ার ‘কিত্তা চান্দের বাড়ি’ এলাকায় অবস্থিত একটি পুকুরের অংশ দীর্ঘদিন আগে ক্রয় করা হয়, যা একই ইউনিয়নের জুগীরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা কমর উদ্দিনের নিজস্ব সম্পত্তি।

অভিযোগ রয়েছে, গত ৪-৫ বছর ধরে ওই পুকুরের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন মান্নারগাঁও গ্রামের মৃত হীরা লাল দাসের ছেলে শিক্ষক ধীরেন্দ্র কুমার দাস গংরা।

এ লক্ষ্যে একাধিকবার সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করানো হলেও তারা এখন পর্যন্ত দখলের কোনো ভিত্তি খুঁজে পাননি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কমর উদ্দিনের জমি তার স্ব স্ব অবস্থানেই রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, মৌজা মান্নারগাঁও, সাবেক জে.এল. নং-৯৬, দাগ নং-১৫০৫-এর পুকুর শ্রেণীর জমি নিয়ে পরিকল্পিতভাবে বিরোধ সৃষ্টি করে নানা ধরনের হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী হচ্ছেন জমির মালিক কমর উদ্দিন।

নাম প্রকাশে স্থানীয় এক ব‍্যক্তি জানান, শিক্ষক ধীরেন্দ্র কুমার দাস সরলভাব নিয়ে চলেন। কিন্তু তিনি যার তার সাথে ভূমি নিয়ে ঝগড়া সৃষ্টি করে গ্রাম পঞ্চায়েত ডাকেন। পরে লজ্জা পান। এখন কয়েক বছর ধরে হাজী কমর উদ্দিন সাহেবের সাথে বিবাদ তৈরি করে রেখেছেন। এটা তার দীর্ঘদিনের অভ‍্যাস।

অভিযুক্ত ধীরেন্দ্র কুমার দাস দাবি করেন, তার দখলীয় ‘অ্যানিমি’ পুকুর শ্রেণীর জমি কমর উদ্দিন ক্রয় করেছেন এবং প্রায় ১৫ শতক জমি নিজের দখলে নিয়েছেন। এ কারণে তিনি বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিশ ও জমি পরিমাপের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কমর উদ্দিন বলেন, আমি বৈধভাবে জমির মালিক। পুরনো পুকুরপাড়, আমার লাগানো গাছ এবং পাকা পিলার এখনো বিদ্যমান। তারপরও আমাকে হয়রানি করতে বার বার সালিশ ডাকা হয় এবং পরিমাপ করা হয়। কিন্তু কেউ আমার জমির বাইরে কিছু প্রমাণ করতে পারেননি।

সার্ভেয়ার বাবুল মিয়া জানান, পুকুরের পানি শুকানোর পর অগ্রহায়ণ মাসে জমি পুনরায় পরিমাপ করা হবে এটি গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত।

মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দীপক বলেন, শুকনো মৌসুমে পানি কমে গেলে সঠিকভাবে জমি পরিমাপ করে সমস্যার সমাধান করা হবে।##

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…