logo

সময়: ১০:১৩, রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত আল্লামা দুবাগী ছাহেব কিবলাহ (রহ.) এর ষষ্ঠ বার্ষিক ঈসালে সাওয়াব মাহফিল সম্পন্ন গণভোটকে ব্যর্থ করে দিলে সরকারকে ব্যর্থ করে দেয়া হবে: বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান উন্নয়ন প্রকল্পের যেকোনো দুর্নীতির গলা টিপে ধরব : ড. মাসুদ এমপি মানবতার কল্যাণে কাজ করার জন্য আল্লাহ তাআলা মানুষ তৈরি করেছেন- মিয়া গোলাম পরওয়ার রাজশাহী সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও এলামনাই এ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ের উদ্বোধন

সুনামগঞ্জে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ ‘বাচ্চু নগর’: পাহাড় আর ফুলের মিতালীতে মুগ্ধ দর্শনার্থী।

Ekattor Shadhinota
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ | সময়ঃ ১১:৫৫
photo
সুনামগঞ্জে পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ ‘বাচ্চু নগর’: পাহাড় আর ফুলের মিতালীতে মুগ্ধ দর্শনার্থী।

রফিকুল ইসলাম সোহাগ সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।

​সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি নতুন পালক। সদর উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে উঁচু পাহাড়ের ওপর গড়ে তোলা হয়েছে নজরকাড়া এক উদ্যান, যা স্থানীয়দের কাছে এখন ‘বাচ্চু নগর’ নামে পরিচিত।

অপূর্ব কারুকার্য আর বাহারি ফুলের এই বাগানটি এখন জেলার অন্যতম ভ্রমণ ও পর্যটক প্রিয় স্থানে পরিণত হয়েছে।


​আকাশ ছোঁয়া অনুভূতির এক অপূর্ব কেন্দ্র
​বাচ্চু নগর মূলত একটি উঁচু পাহাড়ি টিলার ওপর অবস্থিত।

বাগানটির বিন্যাস এমনভাবে করা হয়েছে যে, টিলার উপরে উঠলে পর্যটকদের মনে আকাশ ছোঁয়ার এক অনন্য অনুভূতি তৈরি হয়।

পাহাড়ের সবুজ আর বাগানের রঙ-বেরঙের ফুলের সমাহার এলাকাটিকে এক মায়াবী রূপ দিয়েছে।

প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে শত শত মানুষ প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে এখানে ভিড় জমাচ্ছেন।

​যাতায়াত ব্যবস্থা

​সুনামগঞ্জ শহর থেকে অত্যন্ত সহজভাবে দুই পথে বাচ্চু নগরে যাতায়াত করা যায়:
​চাঁদনীঘাট রুট: শহরের চাঁদনীঘাট থেকে খেয়া পার হয়ে ইব্রাহিমপুর আনন্দ বাজারে পৌঁছাতে হয়। সেখান থেকে টমটম বা মোটরসাইকেল যোগে সরাসরি বাচ্চু নগর যাওয়া যায়।
​ধারারগাঁও রুট: শহরের ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে ধারারগাঁও খেয়াঘাট পার হয়ে হালুয়ারঘাট বাজারে যেতে হয়। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশা, টমটম কিংবা মোটরসাইকেলে করে অনায়াসেই পৌঁছানো যায় এই পর্যটন কেন্দ্রে।

​প্রবেশ মূল্য ও সুবিধা

​পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরে দেখার জন্য কর্তৃপক্ষ সুব্যবস্থা রেখেছে। পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৪০ টাকা। সাশ্রয়ী মূল্যে এমন মনোরম পরিবেশ পাওয়ায় পর্যটকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
​স্থানীয়রা মনে করছেন, সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বাচ্চু নগর সুনামগঞ্জের পর্যটন শিল্পে এক নতুন বিপ্লব ঘটাতে পারে।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…