logo

সময়: ১০:০৭, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

পার্বত্য চট্টগ্রামের কলেজগুলোর উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে -ভাইস-চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

Ekattor Shadhinota
২২ জানুয়ারী, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:১৩
photo
পার্বত্য চট্টগ্রামের কলেজগুলোর উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে -ভাইস-চ্যান্সেলর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর অন্তত ১০ লাখ ছাত্র-ছাত্রী স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করছে। যার ৪০ ভাগই চাকরির বাজারে হতাশ হচ্ছে। এর মূল কারণ পুরনো গতানুগতিক সিলেবাস। স্বাধীনতার পর গত পাঁচ দশকের বেশি সময়ে শিক্ষা ও গবেষণার সাথে শিল্প প্রতিষ্ঠানের কোন সংযোগ বা সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়নি। পুরো বিশ্ব তথ্য প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেলেও বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে। এমতাবস্থায় উচ্চশিক্ষাকে অধিকতর কর্মমুখী ও যুগোপযোগী করার জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

 

এরইমধ্যে সিলেবাস সংস্কার করে তথ্য প্রযুক্তি ও ইংরেজি বিষয় স্নাতক সম্মানে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম বিনিময়ে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ শুরু করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। চলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে শিল্পখাতের যোগাযোগ স্থাপনের কাজ। শিক্ষার আধুনিকায়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গৃহীত উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহায়তা করছে ইউনিসেফসহ খ্যাতনামা বিভিন্ন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়। 

 

একইসাথে উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে অধিভুক্ত কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সাথে মতবিনিময় করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার সবগুলো কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে মতবিনিময়কালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এসব কথা বলেন।

 

রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ নাসিমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় কলেজ অধ্যক্ষগণ তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি নানা ধরণের পরামর্শ ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

 

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ সবার বক্তব্য ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনায় যুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যা অনেক হলেও দক্ষ জনবলের সংকট প্রকট। এর বড় কারণ শিক্ষায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না করা। স্বাধীনতার পর অবকাঠামো উন্নয়নে যতটা গুরুত্ব দেয়া হয়েছে শিক্ষার উন্নয়নে সেভাবে পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।

 

 

অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা পূরণে শিক্ষার্থীদের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তাই সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করে কলেজসমূহের বিদ্যমান সমস্যা খুঁজে বের করে, তা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, সারাদেশের সরকারি কলেজের কার্যক্রম সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য আলাদা সেল গঠনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

 

অধ্যাপক আমানুল্লাহ বলেন, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার বিভিন্ন কলেজে মাস্টার্স, প্রিলিমিনারী ও স্নাতক পাস বা ডিগ্রি কোর্সের অধিভুক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…