জসিম উদ্দিন রাজ,সোনাইমুড়ী
নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে দলিল লিখক শামিম আল মাহামুদের দুর্নীতির ও প্রতারণার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আমেরিকান প্রবাসী আবু নাসের। মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে সোনাইমুড়ী উপজেলা প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভুক্তভোগী আবু নাছের বলেন, উপজেলার শুরহলি গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে শামিম আল মাহামুদ সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসের একজন দলিল লিখক ৩৭১৪নং যার সনদ। ভুক্তভোগী আমেরিকান প্রবাসী আবু নাসের বলেন, শামিম আল মাহমুদের মাধ্যমে বিগত ১২ই আগস্ট ২০২৪ খ্রিঃ আমি সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল সৃজন করিয়া থাকি। উক্ত শামিম আল মাহমুদ সাব কবলা রেজিস্ট্রির জন্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার ৫ শত টাকা নিয়ে থাকে এবং সাব কবলা দলিল না করে হেবা ঘোষনাপত্র দলিল করে দেয়,আমার সাথে এই ধরনের প্রতারণা করবে তা আমার জানা ছিল না।
উপজেলার জুনদপুর গ্রামের মোঃ ইব্রাহিম একই দুর্নীতির স্বীকার বলেও অভিযোগ করেন। প্রবাসী আবু নাসের বলেন, রেজিস্ট্রার সাহেবকে দিতে হবে বলিয়া আরও ৫০ হাজার টাকা আমার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় সেই। ১২ই আগস্ট রেজিস্ট্রিকৃত দলিল খানায় ১০ লক্ষ টাকা হেবা ঘোষনা দলিল মূলে রেজিস্ট্রি করিয়া থাকে কিন্তু সাব কবলা করে নাই। ঘটনা জানার পর তার কাছে সঠিক বিষয়টি জানতে চাইলে সেই নানা তাল বাহানা করে।পরে আমি দলিল খানার সংগ্রহ করে তার কাছে গেলে সে প্রথমে বলে, টাকা ফেরত দিবে আমাকে। এই ঘটনার কিছুদিন পর তাকে আবার মুঠোফোনে কল দিলে, সে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধোমকি প্রদান করে এবং বলে আমি নাকি তার কাছে চাঁদা দাবি করছি।পরে এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্ট্রার আনছার আহম্মদ সাহেব বরাবরে দরখাস্ত দিলে সে আমাকে টাকা দিবে দিচ্ছি বলে তাল বাহানা করে।এরপর ছুটি শেষে আমি আবার প্রবাসে চলে যাই। কিছুদিনের ভিতর দেশে আসলে তাকে মোবাইল ফোনে কল দিলে সে ফোন রিসিভ করে না। আমি আবার সোনাইমুড়ী সাব রেজিস্টার অফিসার কে জানালে, তিনি জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে দরখাস্ত করার পরামর্শ প্রদান করেন।নোয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার বরাবর সুবিচার পাওয়ার জন্য অভিযোগ দাখিল করিলে তিনি উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে আমায় আশ্বস্ত করেন।