logo

সময়: ০৮:১০, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৫ উপলক্ষে সারা দেশব্যাপী র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা সংক্রান্ত। হাইওয়ে, যাত্রী নিরাপত্তা, ঈদ পূর্ববর্তী সময়ে ঈদ কে কেন্দ্র করে আইন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব ফোর্সেস কর্তৃক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করণে মহাপরিচালক র‌্যাব ফোর্সেস মহোদয়ের মতবিনিময় প্রসংগে সিক্স ডেস বুদাপেস্ট মার্চ ২০২৫, গ্র্যান্ড মাস্টার-এ দাবা প্রতিযোগিতা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মালিকানা ছিনতাই করেও এনসিপি সংগঠন হিসেবে ব্যর্থ হয়েছে: নাছির নোয়াখালীতে সড়কে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে ও অবৈধ কমিটি বাতিলের দাবি রাজশাহীতে জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহত পরিবারের কাছে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পৌঁছে দিলেন মহানগর যুবদল

চুয়েটে "অ্যা রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এনার্জি  সলিউশন ইন বাংলাদেশ" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

Ekattor Shadhinota
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ | সময়ঃ ০৯:২১
photo
চুয়েটে "অ্যা রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এনার্জি  সলিউশন ইন বাংলাদেশ" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত "অ্যা রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এনার্জি সলিউশন ইন বাংলাদেশ" শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ১২ই ফেব্রুয়ারী (বুধবার) ২০২৫ খ্রিঃ সকাল ১১.০০ ঘটিকায় চুয়েটের একাডেমিক ভবন-২ এর সেমিনার কক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয়। এতে গেস্ট অব অনার হিসেবে ছিলেন ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড এর সাবেক জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মানজেরি খোরশেদ আলম। এতে রিসোর্স পার্সন ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সিকিউ ইউনিভার্সিটির পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চ ফেলো ড. উম্মে মুমতাহিনা। চুয়েটের ইইই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে সেমিনার সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক জনাব তানহা জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেন, “বর্তমান বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা এবং আমদানি নির্ভরতার প্রবণতা মোটেই সহায়ক নয়। দ্রুতই আমদানি নির্ভর সমাধান থেকে সরে এসে দেশীয় উৎসনির্ভর সমাধানের পথে যেতে হবে। এক্ষেত্রে জ্বালানি পরিকল্পনায় দেশীয় নির্ভরতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। আমদানিতে অর্থ ব্যয় কমিয়ে দেশীয় উৎস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যদি আমরা নিরাপদ সমাজ গড়ে দিতে চাই তাহলে অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে নবায়নযোগ্য অন্যান্য জ্বালানি খাতের প্রসারে মনোযোগ বাড়াতে হবে।”

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…