logo

সময়: ০৯:৫৯, রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

সর্বশেষ খবর

রাজশাহীকে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে কাজ চলছে: রাসিক প্রশাসক রিটন

Masud Rana
২৫ অক্টোবর, ২০২৬ | সময়ঃ ০৯:০৫
photo
রাজশাহীকে দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে কাজ চলছে: রাসিক প্রশাসক রিটন

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী মহানগরীকে অবৈধ দখলমুক্ত, পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেছেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে উচ্ছেদ হওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নগরীর সাহেববাজার এলাকায় সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন মার্কেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রাসিক প্রশাসক বলেন, ইতোমধ্যে ভদ্রা, মহিলা কলেজ রোড ও মেডিকেল কলেজের সামনের একাংশের ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। তবে লক্ষ্মীপুর, জিরোপয়েন্ট, সোনাদিঘী মোড়, রেলগেট ও গণকপাড়াসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো ফুটপাত দখল হয়ে রয়েছে। এসব ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘রাজশাহী মহানগরীকে শুধু নামেই নয়, বাস্তব অর্থেই ক্লিন ও গ্রিন সিটিতে পরিণত করতে চাই। মহানগরীকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার শুধু কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসেবে আমিও কথা নয়, কাজে বিশ্বাসী।

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে গিয়ে বাধা ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকির মুখে পড়ছেন জানিয়ে মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, এসব হুমকিতে তিনি ভীত নন। জীবন থাকা পর্যন্ত রাজশাহীকে গুছিয়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাবেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নগরীকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, দখলমুক্ত, বাসযোগ্য, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ করে গড়ে তুলতে চান তিনি।

পরিদর্শনকালে রাসিক প্রশাসক সাহেববাজার কাঁচাবাজার, মাছপট্টি, মাংসপট্টি, কসাইখানা এবং মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পরিত্যক্ত দোকানগুলো ঘুরে দেখেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও হকারদের পুনর্বাসনের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা করেন।

মার্কেটের অব্যবহৃত দোকান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাহেববাজার কাঁচাবাজার ও মাছপট্টির দ্বিতীয় তলায় ৮৯টি দোকান অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এসব দোকান ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনা কার্যকরভাবে ব্যবহারের উপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মার্কেটটি নতুনভাবে নির্মাণ অথবা আধুনিকায়ন করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এতে ব্যবসায়ীদের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

পরিদর্শনকালে রাসিকের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ সাঈদ, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মাহমুদুর রহমান ইমন ও নিলুফার ইয়াসমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) জসীম উদ্দীন আরজু, রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন এবং উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…