জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ইং
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাট সদর উপজেলার
ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান
পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির নেতা মো: আইয়ুব আলী
(বি.এ)। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং স্থানীয়
মানুষের পাশে থাকার কারণে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নবাসী।
জানা যায়, মো: আইয়ুব আলী ১৯৮৬ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি
যুক্ত। তিনি ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৪ বছর মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন
বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে জয়পুরহাটের সাবেক বিএনপি নেতা ও
সংসদ সদস্য মো: আব্দুল আলিম, মো: গোলাম রব্বানী এবং মো: মোজাহার আলী
প্রধানের সঙ্গে কাজ করে ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে ভূমিকা
রাখেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ চিনিকল জয়পুরহাট সুগার মিলস
লিমিটেড এর কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সুগার মিল শ্রমিক-
কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচিত সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং সুগার মিল ইউনিট
শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী শ্রমিক
দল, জয়পুরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি এবং মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সুচারু রুপে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময় প্রতিকূল পরিস্থিতির
মুখোমুখি হয়েছেন মো: আইয়ুব আলী। ২০১৪ সালের নির্বাচন-পূর্ব রাজনৈতিক
পরিস্থিতিতে তার বাসভবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালায়। এরপরও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে
সক্রিয় ছিলেন।
১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে
মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেছেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা শ্রমিক দলের সহ-
সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী প্রচারনা মনিটরিং কমিটির গুরুত্বপূণ পদে
থেকে ধানের শীষের ভোট পরিচালনা করেন মো: আইয়ুব আলী। উল্লেখ্য ২০১১ সালের
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আন্দোলন, ২০১৩ সালের রাজপথের কর্মসূচি, ২০২২-২৩
সালের বিভাগীয় গণসমাবেশ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও স্থানীয়
ছাত্র-জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন। তিনি
জয়পুরহাট জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদে অদ্যাবধি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে
আসছেন।
ইউনিয়নবাসী, দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী মো: আইয়ুব আলী
একজন সৎ, শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির, নিরহংকারী ও সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত
মানুষ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না হয়েও তিনি নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, মসজিদ,
মন্দির, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে
চলেছেন। পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনে
সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মো: আইয়ুব আলী
বলেন,“আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবার জন্য রাজনীতি কজিয়পুরহাটে মোহাম্মদাবাদ ইউপির চেয়ারম্যান পদে আইয়ুব
আলীকে দেখতে চান এলাকাবাসী
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ইং
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে জয়পুরহাট সদর উপজেলার
ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান
পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তৃণমূল বিএনপির নেতা মো: আইয়ুব আলী
(বি.এ)। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা এবং স্থানীয়
মানুষের পাশে থাকার কারণে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ইউনিয়নবাসী।
জানা যায়, মো: আইয়ুব আলী ১৯৮৬ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি
যুক্ত। তিনি ১৯৯২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা ১৪ বছর মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন
বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে জয়পুরহাটের সাবেক বিএনপি নেতা ও
সংসদ সদস্য মো: আব্দুল আলিম, মো: গোলাম রব্বানী এবং মো: মোজাহার আলী
প্রধানের সঙ্গে কাজ করে ইউনিয়নে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে ভূমিকা
রাখেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ চিনিকল জয়পুরহাট সুগার মিলস
লিমিটেড এর কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সুগার মিল শ্রমিক-
কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচিত সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং সুগার মিল ইউনিট
শ্রমিক দলের সভাপতি হিসেবেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী শ্রমিক
দল, জয়পুরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি এবং মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সুচারু রুপে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময় প্রতিকূল পরিস্থিতির
মুখোমুখি হয়েছেন মো: আইয়ুব আলী। ২০১৪ সালের নির্বাচন-পূর্ব রাজনৈতিক
পরিস্থিতিতে তার বাসভবনে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালায়। এরপরও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে
সক্রিয় ছিলেন।
১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে
মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নে দলীয় প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা পালন করেছেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা শ্রমিক দলের সহ-
সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী প্রচারনা মনিটরিং কমিটির গুরুত্বপূণ পদে
থেকে ধানের শীষের ভোট পরিচালনা করেন মো: আইয়ুব আলী। উল্লেখ্য ২০১১ সালের
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে আন্দোলন, ২০১৩ সালের রাজপথের কর্মসূচি, ২০২২-২৩
সালের বিভাগীয় গণসমাবেশ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও স্থানীয়
ছাত্র-জনতা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলেন। তিনি
জয়পুরহাট জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি পদে অদ্যাবধি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে
আসছেন।
ইউনিয়নবাসী, দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী মো: আইয়ুব আলী
একজন সৎ, শিক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির, নিরহংকারী ও সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত
মানুষ। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না হয়েও তিনি নিজ এলাকার রাস্তাঘাট, মসজিদ,
মন্দির, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে
চলেছেন। পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজনে
সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মো: আইয়ুব আলী
বলেন,“আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবার জন্য রাজনীতি করি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নীতিতে
আস্থাশীল হয়ে সারাজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং বাকীঁ জীবন
সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব। মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয়
নেতাকর্মীরা আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে
আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত হলে মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নকে সুশাসিত,
শিক্ষাবান্ধব, মাদক ও ইভটিজিংমুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন
হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”র। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নীতিতে
আস্থাশীল হয়ে সারাজীবন সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং বাকীঁ জীবন
সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব। মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ ও দলীয়
নেতাকর্মীরা আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে
আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচিত হলে মোহাম্মদাবাদ ইউনিয়নকে সুশাসিত,
শিক্ষাবান্ধব, মাদক ও ইভটিজিংমুক্ত এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন
হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।”