logo

সময়: ১০:৪৫, সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

চীনের টেকসই উন্নয়ন বিশ্বব্যাপী জলবায়ু উদ্যোগকে শক্তিশালী করছে

Ekattor Shadhinota
০৯ আগস্ট, ২০২৬ | সময়ঃ ১০:০০
photo
চীনের টেকসই উন্নয়ন বিশ্বব্যাপী জলবায়ু উদ্যোগকে শক্তিশালী করছে

সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-কে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত কাঠামো চুক্তি (ইউএনএফসিসিসি) সচিবালয়ের নির্বাহী সচিব সাইমন স্টিয়েল।

সাক্ষাৎকারে তিনি এবারের চীন সফর নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। চীনে প্রাণশক্তি অনুভব করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, বেইজিং আসার আগে হংকংয়ে তিনি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। চীনে টেকসই উন্নয়নকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। চীনের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথ ও সাফল্য জানার পর বোঝা যায়, সঠিক উন্নয়নের পথে চীন অব্যাহতভাবে সামনে এগিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

২০২৬ সালের মে মাসে ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া তাঁর ভাষণের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, চীন হলো জলবায়ুসংক্রান্ত বহুপাক্ষিকতার অগ্রনায়ক; এর নেতৃত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বব্যাপী জ্বালানির রূপান্তর-প্রক্রিয়া অপরিবর্তনীয় এবং এই প্রক্রিয়ায় চীন মূল ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, কার্বন নির্গমন হ্রাস করার ক্ষেত্রে চীন বিশাল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং দেশটির কাজ অত্যন্ত চমৎকার। চীনের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের উচিত শিক্ষা গ্রহণ করা। চীনের গত দশ বছরের উন্নয়ন-প্রক্রিয়া দেখলে, সবুজ ও নিম্নকার্বন অর্থনীতির দিকে চীনের রূপান্তরের গতি ও প্রচেষ্টাকে বিস্ময়কর মনে হয়। এই রূপান্তর শুধুমাত্র কর্মসংস্থানকে এগিয়ে নেয়নি, বরং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগও সৃষ্টি করেছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চীনে সংঘটিত এই সবকিছু ক্রমাগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্যও কল্যাণকর।

সাইমন স্টিয়েল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে গোটা মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন চ্যালেঞ্জ, যা সবাইকে একযোগে মোকাবিলা করতে হবে। দায়িত্বশীল উন্নয়নশীল বড় দেশ হিসেবে, জলবায়ু পরিবর্তন সমস্যায় সবসময় বহুপাক্ষিকতা, সহযোগিতা ও জয়-জয় নীতিতে অবিচল আছে চীন। চীন ইতোমধ্যেই ৪০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশের সঙ্গে ৫০টিরও বেশি জলবায়ু পরিবর্তন-সংশ্লিষ্ট দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতামূলক দলিল স্বাক্ষর করেছে এবং দেশগুলোকে প্রকৃত সহায়তা দিচ্ছে।

সাইমন বলেন, বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় চীন নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করছে এবং অবদান রাখছে। চীন শুধু অভ্যন্তরীণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এগিয়ে নেয়নি, বরং বিশ্বের অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সমর্থন দিচ্ছে এবং নেতৃত্বের সক্ষমতা প্রদর্শন করছে। এ ছাড়া, অন্যান্য দেশের জন্য একটি দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছে চীন।

তিনি আরও বলেন, সবুজ রূপান্তর খাতে চীন সরকারের অসাধারণ নেতৃত্বের সক্ষমতা ও গৃহীত বাস্তব ব্যবস্থা প্রশংসনীয়। চীন শুধু আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য সবুজ উন্নয়নের অভিজ্ঞতা প্রদান করেনি, বরং বিশ্বের সবুজ বাজারের সমৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে বিশ্বের নানান দেশের জন্য প্রকৃত উন্নয়নের সুযোগ ও সুবিধা বয়ে আনছে।

সূত্র: আকাশ-আলিম-আনন্দী, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…