logo

সময়: ১২:১৯, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই, ২০২৬

১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ খবর

মালয়েশিয়ার ২ মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি, শ্রমবাজার খোলার ঘোষণা আসছে

Ekattor Shadhinota
০১ জুলাই, ২০২৬ | সময়ঃ ১০:১০
photo
মালয়েশিয়ার ২ মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি, শ্রমবাজার খোলার ঘোষণা আসছে

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে দীর্ঘ দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আবারো উন্মুক্ত হওয়ার আশা করছে বাংলাদেশ। আসছে ২১শে জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে জনশক্তি রপ্তানি ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির আশা করছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক বার্তার মধ্যে শ্রমবাজার খোলার সম্ভাবনা জোরালো হলেও সিন্ডিকেট নিয়ে উদ্বেগ কাটেনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সফরকালে শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনায় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত এলে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবারো খুলে যেতে পারে বহুল কাঙ্ক্ষিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার।


সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২১ থেকে ২২শে জুন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়ালালামপুর সফর করবেন। এরপর ২৩ থেকে ২৬শে জুন সরকারপ্রধানের চীন সফরের কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকা শ্রমবাজারের জট খুলতে পারে। আবারো বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর ঘোষণা আসতে পারে। তবে শিগগিরই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার একটি ইঙ্গিতও দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সমপ্রতি মন্ত্রী মালয়েশিয়া সফরের পর বাজারটি শিগগিরই খুলতে পারে বলে আশা তৈরি হচ্ছে। তবে একই সঙ্গে নতুন করে দেখা দিয়েছে সিন্ডিকেট ফিরে আসার আশঙ্কা। কারণ, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধন ছাড়াই কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করার আলোচনা চলছে।


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা ও মন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের পর দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা এসেছে। তবে বিষয়টি এখনো কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। আগে যে ওয়েবসাইট বা অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ হতো, সেটি বহাল থাকবে নাকি নতুন কোনো পদ্ধতি চালু হবে এসব বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের পর তা দেশটির মন্ত্রিসভায় (ক্যাবিনেট) যাবে এবং সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। বর্তমানে এই প্রক্রিয়াগুলো চলমান থাকায় কিছুটা সময় লাগছে। এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। সার্বিকভাবে এখন বললে, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়টি অনেকটাই মালয়েশিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। এ ছাড়াও পুরনো ১০০টি এজেন্সির যে তালিকা ছিল- যারা কর্মী পাঠাতেন। সেই তালিকা বাদ দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নতুন তালিকা দেয়া হয়েছে। সেই তালিকাই এখনো বহাল আছে। বর্তমান সরকার নতুন করে কোনো তালিকা পাঠায়নি। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। আশা করছি, দ্রুতই এই শ্রমবাজার প্রবাসীদের জন্য উন্মুক্ত হবে।

রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর দাবি, বর্তমান এমওইউ ও মালয়েশিয়ার আরোপিত কিছু শর্ত সীমিতসংখ্যক এজেন্সির হাতে নিয়োগ কার্যক্রম কেন্দ্রীভূত করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে অতীতে যেভাবে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, একই ধরনের পরিস্থিতি আবারো ফিরে আসতে পারে।

শেয়ার করুন...

আরও পড়ুন...

ফেসবুকে আমরা…