আবদুল বাসেদ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সদর উপজেলা ৮নং এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের প্রবাস ফেরত আজিজুল হক কাইয়ুমের উপর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তার বাড়ীতে গিয়ে দিনের বেলায় প্রকাশে জনসম্মুখে বসতঘরে হামলা, ভাংচুর ও দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মোঃ মনির উদ্দিন,নিপু হক,দিপু হক,ও রাশেদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে আতঙ্কে রয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
জানা যায়,এদিকে প্রবাসী আজিজুল হক কাইয়ুম বাদী হয়ে নোয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা মামলা করেন,যাহা মামলা নং ১৩৪/২০১৮ ইং ঐ মামলার বাদী আজিজুল হক কাইয়ুম বাদী হয়ে দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৩৯ অর্ডারের ১ রুল ও ১৫১ ধারার বিধান মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার প্রার্থনা করিলে বিজ্ঞ আদালত ২৭/০৫/২৫ ইং তারিখে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। এদিকে আসামীপক্ষ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নালিশী ভূমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করিলে প্রবাসী আজিজুল হক কাইয়ুম বাঁধা দেয়ায় প্রতিপক্ষ তার বসতঘর ভাংচুর চালায় এবং তার স্ত্রীর গলা থেকে স্বর্ণের চেন একটা নিয়ে যায় ও ছোট্ট শিশুকে পায়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। আজিজুল হক কাইয়ুম বাজারে গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে হঠাৎ করে তার বাড়ীর পাশে একলোক ছুটে আসে তাকে বলে তার বসতঘর ভাংচুর করছে শুনে। বাড়ীতে ছুটে আসলে তাকেও দেশী অস্ত্র দিয়ে বসতঘরের সামনে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এক পর্যায় তারা মেরে ফেলার জন্য চেষ্টা করলে আজিজুল হক দৌড়ে তার ঘরে গিয়ে খাটের নিচে ডুকে পড়লে প্রতিপক্ষ এলোপাতাড়ি তার বসতঘর ভাংচুর করে হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে। আসামীপক্ষ চলে যাওয়ার সময় তাকে প্রাণে হত্যার হুমকি দিলে তিনি ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ এসে তদন্ত করে চলে যায় এবং তারা আজিজুল হককে কোর্টে মামলা করার জন্য নির্দেশ দেন। পরে আজিজুল হক সুধারাম মডেল থানায় একটি অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ ঐ মামলাটি গ্রহণ না করে প্রবাসী আজিজুল হককে ফেরত পাঠিয়ে দেন।এদিকে
বর্তমানে তার ছোট্ট শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এবিষয়ে নোয়াখালী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন ও অর্থ), আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন বলেন, আমি সুধারাম মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম এর সাথে কথা বলেছি।তদন্ত করে সঠিক প্রমাণিত হলে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।