ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রে ইরানকে দায়ী করলো যুক্তরাজ্য

নিউজ ডেস্ক | 71shadhinota.com
আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রিটিশ বিমানঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রে ইরানকে দায়ী করলো যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটি ঘিরে নাশকতার কথিত ষড়যন্ত্রের পেছনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। এই ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে দুই ইরানি নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। তবে এ ঘটনার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে তেহরান।

পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানান, দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ফেয়ারফোর্ড শহরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) বিমানঘাঁটি ঘিরে যে নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা ‘প্রায় নিশ্চিতভাবেই’ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নির্দেশনায় পরিচালিত হয়েছে।

ব্রিটেনের মাটিতে এ ধরনের হুমকি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না জানিয়ে অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, আমাদের ভূখণ্ডে যেকোনো অপতৎপরতা রুখতে সরকার সব ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
 
অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের অর্থায়নের উৎসে আঘাত হানতে এবং ইরানের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড চালানোর সক্ষমতা সীমিত করতে ভবিষ্যতে আরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ভোরে ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির আশপাশ থেকে সন্ত্রাসবাদ ও বিস্ফোরকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকার সন্দেহে ২০ বছর বয়সী পাঁচ ব্রিটিশ তরুণকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তল্লাশিকালে তাদের তিনটি ভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ পেট্রল জব্দ করা হলেও কোনো ধরনের বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। পরে কঠোর শর্তে তাদের পুলিশি জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজন ব্রিটিশ-ইরানিসহ আরও দুজনকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি।