মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

নিউজ ডেস্ক | 71shadhinota.com
আপডেট : ১২ অক্টোবর, ২০২৬
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে সোমবার দশম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এই সাক্ষ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, আজ রাষ্ট্রপক্ষের দশম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। এর আগে গত ৮ অক্টোবর তার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে নির্ধারিত দিনে সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত থাকলেও অন্য একটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য থাকায় সময় চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। আদালত তা মঞ্জুর করে আজকের দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় নবম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী।

এ মামলায় অভিযুক্ত ২৮ আসামির মধ্যে চারজন বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, আনসার সদস্য ওমর ফারুক ও যুবলীগকর্মী ফজলে রাব্বি।

অন্যদিকে নানক ও তাপস ছাড়াও মামলার অন্য পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক এডিসি রওশুনুল হক, এম এ সাত্তার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্ট্রন, শেখ বজলুর রহমানসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতা-কর্মী।

গত ১০ মে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল-১ আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগে বিচার শুরুর আদেশ দেন। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে মোহাম্মদপুর এলাকায় আসামিদের প্রত্যক্ষ উসকানি, নির্দেশ ও অংশগ্রহণে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে শিক্ষার্থী ফারহান ফাইয়াজ ও মাহমুদুর রহমান সৈকতসহ নয়জন নিহত এবং বহু আন্দোলনকারী আহত হন।