আবদুল বাসেদ,সিনিয়র রিপোর্টার নোয়াখালী:
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রণীত নিয়োগ নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজওয়ানুল হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা মো. জাহেদ আলম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। অভিযুক্ত অপর তিনজন হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জামসেদুল ইসলাম, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রাবন্তী দত্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ তামজিদ হোছাইন চৌধুরী। লদুদকের মামলায় এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ডদুদকের নোটিশে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে বর্ণিত অভিযোগ বিষয়ে নিম্নলিখিত শিক্ষকবৃন্দের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ নোটিশে উল্লেখ করা তারিখ ও সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, নোয়াখালীতে উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধানী কর্মকর্তার কাছে বক্তব্য দিতে হবে। নোটিশে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য দিতে ব্যর্থ হলে বর্ণিত অভিযোগের বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। দুদকের নোটিশে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের জন্য পৃথক তারিখ ও সময় উল্লেখ করা হয়েছে।