পাবনায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আয়োজনে অর্থনৈতিক শুমারি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  

নিউজ ডেস্ক | 71shadhinota.com
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬
পাবনায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আয়োজনে অর্থনৈতিক শুমারি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত  

আর কে আকাশপাবনা প্রতিনিধিবাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএসআয়োজনে অর্থনৈতিক শুমারি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বেলা ১১টায় পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন  অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর চূড়ান্ত জাতীয় প্রতিবেদন (ন্যাশনাল রিপোর্টপ্রকাশ সংক্রান্ত  কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম।  পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জাতীয় প্রতিবেদন বিষয়ে সভাকে অবহিত করেন পাবনা জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোআব্দুর রাজ্জাক।

 সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিকমনিরুজ্জামানঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা  আইসিটিউম্মে তাবাসসুমসভাপতিপাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতারসাধারণ সম্পাদক মোজহুরুল ইসলামরেস্তোরা মালিক সমিতিসভাপতিচেম্বার অব কমার্সজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তাবৃন্দপ্রিন্ট  ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

একটি দেশের আনুষ্ঠানিক  অনানুষ্ঠানিক উভয় খাতের বেঞ্চমার্ক পরিসংখ্যানের প্রাথমিক উৎস হলো অর্থনৈতিক শুমারি।  অর্থনৈতিক শুমারি থেকে সংগৃহীত তথ্যে মূলত একটি দেশের সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসম্পন্ন ইউনিটের সংখ্যানিয়োজিত জনবলইউনিটের কাঠামোগত প্রকৃতিঅর্থনৈতিক ইউনিটগুলিতে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা  পরিষেবা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।  এর মাধ্যমে দেশের শিল্প  ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়যার ওপর ভিত্তি করে  সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ  পরিকল্পনা প্রণয়ন সহজতর হয়।  তাছাড়া দেশের মোট স্থূল উৎপাদনের সঠিক আকার নিরূপণসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকগুলোও যৌক্তিকভাবে নিরূপণে অর্থনৈতিক শুমারিতে প্রাপ্ত তথ্যের গুরুত্ব তোলে ধরা হয়।

সময়ের বিবর্তনে দেশের কৃষি বহির্ভূত অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রস্তুত এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক ২০২৪ সালে  CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing)     এবং জিআইএস  (GIS) ম্যাপিং ব্যবহার করে দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি পারচালিত হয়। বাংলাদেশে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৬ সালে। দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শুমারি ২০০১ এবং ২০০৩ সালে (দুটি পর্যায়েএবং তৃতীয় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চতুর্থ তথা সর্বশেষ অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে।