রুয়েটে ২০২৫/২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী: রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৫/২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত আয়োজিত এ পরীক্ষায় ১৪টি বিভাগের ১ হাজার ২৩৫টি আসনের বিপরীতে মোট ১৮ হাজার ২৭৭ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নেন।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবার প্রথমবারের মতো রুয়েট কেন্দ্রের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কেন্দ্রেও ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, কেন্দ্র ও আসন বিন্যাস আগেই প্রকাশ করা হয়, যা পরীক্ষার্থীরা সংগ্রহ করেন।
প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম জানান, মোট ১৮ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে রুয়েট কেন্দ্রে ৮ হাজার ৪৭৭ জন এবং বুয়েট কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮০০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এবারের ভর্তি পরীক্ষা ক ও খ—দুটি গ্রুপের অধীনে ১৪টি বিভাগের জন্য অনুষ্ঠিত হয়। ক গ্রুপের পরীক্ষা সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে দুপুর সোয়া ১২টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত রুয়েট কেন্দ্রে খ গ্রুপের ৬৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।
তিনি আরও জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় পরীক্ষার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিকের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটাধারীদের ক্ষেত্রে গোত্রপ্রধান কর্তৃক প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক। পরীক্ষা চলাকালে ভর্তি কমিটি অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছাড়া কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ ছিল।
রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে রুয়েট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুয়েট প্রশাসন। পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি ও অনিয়ম রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সন্দেহভাজন কার্যক্রমে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।