আনুমানিক ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা মূল্যমানের ২৪৩৫ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী’কে রাজধানীর মাতুয়াইল হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

নিউজ ডেস্ক | 71shadhinota.com
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬
আনুমানিক ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা মূল্যমানের ২৪৩৫ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী’কে রাজধানীর মাতুয়াইল হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

গতকাল ১৬/০১/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২৩.৩৫ ঘটিকার সময় ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল সফল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার ও মাদক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।

 গতকাল ১৬/০১/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২৩.৩৫ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে *ডিএমপি, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল ইউটার্ন সংলগ্ন মুক্তি ফিলিং ষ্টেশনের সামনে* চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করার সময় কক্সবাজার টু ঢাকাগামী জেদ্দা এক্সপ্রেস পরিবহণের একটি বাস হতে একজন ব্যক্তি কৌশলে নেমে পালানোর চেষ্টাকালে *মোঃ মাসুদ রানা (৩২),* পিতা-  নাজমুল হক, সাং- হাজী লাল মিয়া সরকার রোড, জুরাইন (মুরাদপুর), থানা- কদমতলী, ডিএমপি, ঢাকা’কে সন্দেহ মূলক ভাবে আটক করা হয়।


আসামি মোঃ মোঃ মাসুদ রানা’কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে বিশেষ পদ্ধতিতে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবন পূর্বক পেটের মধ্যে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। *আসামি মোঃ মাসুদ রানা’কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের মাধ্যমে তাকে এক্স-রে করানো হয়। এক্স-রে রিপোর্টে আসামি মোঃ মাসুদ রানা’র পেটের মধ্যে বস্তু সদৃশ কিছু দেখা যায়। পরবর্তীতে অদ্য ১৭/০১/২০২৫ তারিখ সকাল ০৭.০০ ঘটিকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে বিশেষ পদ্ধতিতে আসামি মোঃ মাসুদ রানা’কে মলত্যাগ করিয়ে সাদা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪৯ (ঊনপঞ্চাশ) টি পোটলায় রক্ষিত মোট ২৪৩৫ (দুই হাজার চারশত পয়ত্রিশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭,৩০,৫০০/- (সাত লক্ষ ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। *

  প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল।

  মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র‌্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র‌্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।